আজ শুক্রবার। ১৯শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ। ৬ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ। ৯ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি। এখন সময় রাত ১২:০৮

কাল বৈশাখী ঝড়ে কমলগঞ্জ উপজেলার দুইশতাধিক ঘর বিধস্ত

কাল বৈশাখী ঝড়ে কমলগঞ্জ উপজেলার দুইশতাধিক ঘর বিধস্ত
নিউজ টি শেয়ার করুন..

জেবায়ের আহমদ,মৌলভীবাজার :

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কমলগঞ্জের পতনউষার, শমশেরনগর, মুন্সিবাজার ও পৌরসভার এলাকার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে উপজেলার দুইশতাধিক ঘর বিধস্ত হয়েছে।

রবিবার বিকালে কালবৈশাখী ঝড়ে উপড়ে পড়েছে হাজারো গাছ পালা। ঝড়ে প্রায় দুই শত বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
১১ কেভির প্রায় ১০০টি স্থানে গাছ ভেঙে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা লন্ডভন্ড হয়ে পড়েছে।
এদিকে কমলগঞ্জ-কুলাউড়া সড়কে শমশেরনগর এয়ারপোর্ট রোডে ব্যাপক গাছপালা রাস্সায় পরায় সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
এছাড়া লাউয়াছড়া পাহাড়ে রেল লাইনের উপর গাছ পড়ায় রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। ঢাকাগামী পারাবত এক্সপ্রেস ও সিলেটগামী আন্তনগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেন শ্রীমঙ্গল ও কুলাউড়া ষ্টেশনে আটকা পড়েছে। বিদ্যুৎ লাইন লন্ডভন্ড হয়ে যাওয়ার করণে বিদ্যুৎহীন ছিল পুরো কমলগঞ্জ।এদিকে বজ্রপাতে পতনঊষার ইউনিয়নে এক কৃষকের মহিষের মৃত্যু হয়েছে। ঝড়ের সাথে ছিল বিকট শব্দের বজ্রপাত। এতে উপজেলাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
জানা যায়, ঝড়ে পতনউষার ইউনিয়নে পতনউষার, রসুলপুর, বৃন্দাবনপুর, শ্রীরামপুর, চন্দ্রপুর, ধোপাটিলা,দক্ষিনপল্কীসহ ১০টি গ্রামের বাড়িঘর ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রাস্তার গাছপালা উপড়ে পড়ে। পতনউষারের বিভিন্ন এলাকায় পল্লী বিদ্যুৎ এর ১১ কেভি লাইন ছিড়ে পড়েছে।
কমলগঞ্জ আব্দুল গফুর চৌধুরী মহিলা কলেজে আধাপাকা একাডেমিক ভবনের টিন ছাউনিসহ পৌরসভার ৫, ১, ২ নং ওয়ার্ডের ঘরের টিন উড়িয়ে নিয়েছে।
কালবৈশাখী ঝড়ে বেশি গাছপালা বিধস্ত হয়েছে শমশেরনগর এলাকায়। বিমান ঘাটি এলাকার কুলাউড়া সড়কের উপর অধর্শতাধিক গাছ পালা ভেঙ্গে পড়ে।
কমলগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মোবারক হোসেন জানান, ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। প্রায় শতাধিক স্থানে তার ছিঁড়ে গেছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে ১ দিন সময় লাগবে।
রেলওয়ে শ্রীমঙ্গল জোনের উপসহকারী প্রকৌশলী মনির হোসেন ট্রেন আটকা পড়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।
পতনউষার ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নারায়ন মল্লিক সাগর জানান, তার ইউনিয়নে ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় দুই শত বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত ও কোটি টাকার গাছপালার ক্ষতিসাধন হয়েছে। তিনি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। বিধস্ত ঘর হওয়ায় খোলা আকাশে বসবাস করছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

নিউজ টি শেয়ার করুন..

সর্বশেষ খবর

আরো খবর