আজ মঙ্গলবার। ১৬ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ। ৩রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ। ৬ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি। এখন সময় সন্ধ্যা ৭:৫৩

দীর্ঘছুটিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের খাবারে সমস্যা

দীর্ঘছুটিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের খাবারে সমস্যা
নিউজ টি শেয়ার করুন..

খালেদুল হক,কুবি প্রতিনিধি :

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) দীর্ঘ ৪৪ দিনের ছুটির মধ্যে বিভিন্ন বিভাগের সেমিষ্টার পরীক্ষা চলমান থাকায় আবাসিক হলগুলো চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। তবে ছুটি শুরুর সাথে সাথেই আবাসিক হলের ডাইনিংগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে খাবার নিয়ে বিপাকে পড়েছেন হলে থাকা শিক্ষার্থীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাংলা, ইংরেজি, প্রত্নতত্ত্ব, অর্থনীতি, আইন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগসহ কয়েকটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সেমিষ্টার পরীক্ষা চলমান থাকায় রমজানের মধ্যেও হলে থাকতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। এছাড়াও অনেকেই টিউশনি বা দীর্ঘ ছুটিতে বাড়তি পড়াশুনার জন্য হলে থাকছে।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলেদের জন্য ৩টি ও মেয়েদের জন্য ১টি আবাসিক হল থাকলেও কোনটিরই নেই ক্যান্টিন ব্যবস্থা। ফলে ডাইনিং বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাহিরের হোটেলে বেশি দামে নিম্নমানের খাবার খেতে বাধ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। এছাড়া রোজা শুরু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের এই মাত্রা বেড়ে গেছে কয়েকগুন।

ক্যাম্পাসের আশেপাশে মাত্র তিনটি খাওয়ার হোটেল থাকলেও রমজানে ১টি বা ২টি খোলা থাকে। এ সুযোগে হোটেল মালিকরা ইচ্ছা মতো বাড়িয়ে দিচ্ছে খাবারের দাম। বিপাকে পড়ে অনেক শিক্ষার্থী রান্না করে খাচ্ছে।

নবাব ফয়জুন্নেছা আবাসিক হলের ছাত্রী ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী রহিমা আক্তার বলেন, “ছুটি শুরু হওয়ার আগেই আমাদের হলে ডাইনিং বন্ধ হয়ে গেছে। আমাদের পরীক্ষা থাকার কারণে মে মাসের ২৭ তারিখ পর্যন্ত থাকতে হবে। কিন্তু মেয়েদের পুরো হলে দুইটা মাত্র চুলা রয়েছে। সারাদিন রোজা রেখে রান্নার সিরিয়াল দিতেই দিনের অর্ধেক শেষ হয়ে যাবে। তবে সেমিষ্টারের পড়ার সময়ই পাবো না।”

ডাইনিং বন্ধের সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক মনে করছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মামুন খান। তিনি বলেন, “আমাদেরসহ অনেকের পরীক্ষা চলছে, অনেকেই পড়াশুনার জন্য আবার অনেকেই টিউশন করায় বলে হলে থাকতে হচ্ছে। রমজানে ক্যাফেটেরিয়া বন্ধ, বাহিরের হোটেলে নিম্নমানের খাবার। এমতাবস্থায় ডাইনিং বন্ধ একেবারেই অযৌক্তিক সিন্ধান্ত। এর ফলে আমাদের খাবার নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।”

নবাব ফয়জুন্নেছা হলের প্রভোস্ট জিল্লুর রহমান বলেন, “শিক্ষার্থী সংখ্যা কমে যাওয়ায় ডাইনিং কতৃপক্ষ গত মাসের শেষের দিকে মিল বন্ধ করে দেয়। তবে আমি আগামিকাল শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করবো। যদি তাদের অধিকাংশের সম্মতি থাকে তবে পরের দিন থেকেই ডাইনিং চালু করার ব্যবস্থা করবো।


নিউজ টি শেয়ার করুন..

সর্বশেষ খবর

আরো খবর