আজ শনিবার। ২০শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ। ৭ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ। ১০ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি। এখন সময় রাত ১১:৪৯

শুরু হতে যাচ্ছে জাতীয় শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা

শুরু হতে যাচ্ছে জাতীয় শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা
নিউজ টি শেয়ার করুন..

শফিক আহমেদ ভূইয়া :

শুরু হতে যাচ্ছে জাতীয় শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা ২০১৯।
ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তথ্য প্রযুক্তিতে আরো দক্ষ করে গড়ে তুলতে এবারও আয়োজিত হতে যাচ্ছে জাতীয় শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় সারাদেশে ৬৪ জেলায় ২০০টি শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবে জেলা পর্যায়ের স্ক্র্যাচ ও পাইথন এই দুই বিভাগে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে ২০০টি ল্যাবে শুরু হবে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ। প্রত্যেকটি ল্যাবে ওই অঞ্চলের সবকটি স্কুলের শিক্ষার্থীরা প্রশিক্ষণ নিতে পারবে। প্রতিটি ল্যাবে গড়ে ৭৫জন করে দেশব্যাপী প্রায় ১৫০০০ শিক্ষার্থীকে এই প্রশিক্ষণের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
প্রতিযোগিতা শুরুর আগে আইসিটি শিক্ষক এবং ল্যাব প্রশিক্ষক তার ল্যাবের সেরা প্রতিযোগীদের বাছাই করবেন। প্রতি ল্যাব থেকে স্ক্র্যাচের জন্য ৩জন করে টিম গঠন করা হবে, ৫টি টিমে মোট ১৫জন শিক্ষার্থী প্রতিটি ল্যাব থেকে স্ক্র্যাচ প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। পাইথনের জন্য প্রতিটি ল্যাব থেকে ১৫জন শিক্ষার্থী একক ভাবে অংশ নেবে। প্রাথমিক ভাবে বাছাইকৃত শিক্ষার্থীদের নিয়ে জেলা পর্যায়ে ক্যাম্প ও প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
পরবর্তী ধাপে জেলা পর্যায়ে বিজয়ীদের নিয়ে জাতীয় ক্যাম্প ও প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে সাভার শেখ হাসিনা যুব উন্নয়ন কেন্দ্রে।
পরবর্তীতে প্রতি জেলা থেকে বিজয়ী স্ক্র্যাচ টিম এবং বিজয়ী পাইথন প্রতিযোগীরা জাতীয় ক্যাম্পে যোগ দিয়ে ফাইনাল প্রতিযোগিতায় অংশ নিবে।

ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স (TOT):

সময় : ২দিন
আগামী ২২ ও ২৩ মে রাজধানীর খামার বাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) তে ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে দুই দিন ব্যাপী পাইথন ও স্ক্র্যাচের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এতে অংশ নিবেঃ নির্বাচিত ল্যাব সমূহের আইসিটি শিক্ষক, ইয়ং বাংলা থেকে নির্বাচিত ল্যাব কোর্ডিনেটর, জেলা কোর্ডিনেটর প্রমুখ।

জেলা ক্যাম্পঃ

সময় : ৩দিন
স্ক্র্যাচঃ স্ক্র্যাচ একটি ভিজুয়াল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এবং অনলাইন কমিউনিটি যা মূলত শিশুদের জন্য। স্ক্র্যাচ ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা নিজস্ব ইন্টারেক্টিভ গল্প, গেমস এবং অ্যানিমেশন তৈরি করে একে অপরের সঙ্গে শেয়ার করতে পারে।
স্ক্র্যাচ প্রতিযোগিতা হবে দল ভিত্তিক, প্রতি দলে ৩ জন করে ছাত্র-ছাত্রী থাকবে। প্রতি ল্যাব থেকে ৫ টি দলে মোট ১৫ জন অংশ নিবে। ৩য় থেকে ৫ম শ্রেনীর ছাত্র- ছাত্রীদের প্রশিক্ষন শেষে এরা জেলা ক্যাম্পের প্রতিযোগিতায় অংশ নিবে।
পাইথনঃ
পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ একটা ডাইনামিক প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যা বর্তমান বিশ্বে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেনী জুনিয়র, এবং ৯ম থেকে ১০ শ্রেনী সিনিয়র হিসেবে প্রত্যেকে আলাদা ভাবে অংশগ্রহন করবে।

জাতীয় ক্যাম্পঃ (২ দিন)
শিক্ষার্থীদের জেলা পর্যায়ে স্ক্র্যাচ ও পাইথন প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হলে, জেলা ভিত্তিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের নিয়ে পরবর্তীতে ঢাকায় দুই দিনব্যাপী ‘পাইথন ভিত্তিক জাতীয় ক্যাম্প’ এবং দুই দিনের ‘স্ক্র্যাচ ভিত্তিক জাতীয় ক্যাম্প’ আয়োজন করা হবে।
জাতীয় ক্যাম্প ১ম দিনঃ প্রতি জেলার স্ক্র্যাচ ও পাইথন বিজয়ীদেরকে ঢাকার জাতীয় ক্যাম্পে একদিন উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
জাতীয় ক্যাম্প ২য় দিনঃ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী নির্বাচিত করা হবে।

সমাপনী এবং পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা (প্রস্তাবিত) জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণকৃত সকল প্রতিযোগিদের (স্ক্র্যাচ ও পাইথন) উপস্থিতিতে বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। আর এর মধ্য দিয়েই জাতীয় শিশু কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে।


নিউজ টি শেয়ার করুন..

সর্বশেষ খবর

আরো খবর