আজ শনিবার। ২০শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ। ৭ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ। ১০ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি। এখন সময় রাত ১১:১৫

রুপগঞ্জে পদ্মা ডাইং এ উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতির নেতৃত্বে হামলা

রুপগঞ্জে পদ্মা ডাইং এ উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতির নেতৃত্বে হামলা
নিউজ টি শেয়ার করুন..

নারায়ঙঞ্জের রুপগঞ্জে পদ্মা ডাইং এন্ড ফিনিশিং লিমিটেড নামের একটি কারখানায় ঝুট না পাওয়ায় হামলা ও ব্যাপক ভাংচুরের অভিযোগ উঠে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে।এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা যায়।গত রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলার গোলাকান্দাইলে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।


পুলিশ জানায়,রবিবার দুপুর ২.৩০ টার দিকে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল শিকদারের নেতৃত্বে ৭/৮ জন ছাত্রলীগ নেতা মাইক্রোবাসে করে উপজেলার আউখাবো এলাকার পদ্মা ডাইং এন্ড ফিনিশিং কারখানায় যায় এবং উপজেলা সভাপতি ফয়সাল একটি চিরকুট লিখে কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নিকট পাঠায়।চিরকুটে তার ফোন নাম্বার সহ ঝুট সংক্রান্ত বিষয় কথা বলার জন্য বলে।এতে কারখানার ব্যবস্থাপক আজকে কথা বলতে পারবে না বলে জানালে তারা কারখানার প্রহরির সাথে হৈ চৈ ও গালিগালাজ করে ফিরে আসে।
বিকালে ছাত্রলীগ সভাপতি ফয়সাল প্রায় শতাধিক ক্যাডার নিয়ে আবার যায় এবং এ সময় কারখানার ব্যবস্থাপক শওকত আলী রেজার সাথে দেখা করতে তারা প্রচন্ড হৈ চৈ ও গালিগালাজ শুরু করে।এসময় তারা গেইটে থাকা প্রহরিদের সাথে গালিগালাজ সহ ধস্তাধস্তি শুরু করলে ব্যবস্থাপক শওকত আলী কারখানার শ্রমিক সহ নিচে নেমে আসেন।
তিনি সবাইকে শান্ত করে আগামী বুধবার ঝুটের ব্যাপারে কথা বলবেন বলে জানালে ছাত্রলীগ নামধারি ক্যাডাররা উত্তেজিত হয়ে পড়ে।

এ সময় শ্রমিকদের সাথে ছাত্রলীগ ক্যাডারদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়।ছাত্রলীগ সভাপতি ফয়সাল সবাইকে আক্রমন করার আদেশ দিলে তারা কারখানার সামনের থাকা কয়েকটি পিকাপ ভ্যানের গ্লাস,কারখানার দরজা ও জানালার কাচঁ এবং গেইটের পাশে থাকা এটিএম বুথ ভাংচুর করে।এ সময় ইটের আঘাতে কারখানার এমডি শওকত আলী সহ বেশ কয়েকজন আহত হয়।পরে পুলিশ এসে পরিবেশ নিয়ন্ত্রনে আনেন।


এ ঘটনায় কারখানার শ্রমিক সহ এলাকাবাসী মারুফ নামে একজন ছাত্রলীগ ক্যাডারকে আটকে রাখে।পরবর্তিতে ভুলতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সাঃসম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ মিল কর্তৃপক্ষের নিকট মুচলেকা দিয়ে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে পদ্মা ডাইং এন্ড ফিনিশিং এর এমডি শওকত আলী রেজা বলেন,ছাত্রলীগ নেতারা অতর্কিতে আমাদের কারখানায় হামলা করলে,আমি পুলিশ খবর দিতে বাধ্য হই।পরবর্তীতে পুলিশ এসে পরিবেশ শান্ত করে।


এব্যাপারে ছাত্রলীগ সভাপতি ফয়সালের সাথে কথা হলে তিনি বলেন,দলীয় নেতাকর্মীদের ব্যবসা দেয়ার উদ্দেশ্যে আমি ঐ মিলে যাই।পরবর্তীতে মিল কর্তৃপক্ষ মিলের শ্রমিকদের আমাদের উপর লেলিয়ে দেয়।এতে আমাদের ৫ জন কর্মী আহত হয়েছে।


এবিষয়ে পুলিশ জানায়,৯৯৯ এ খবর পেয়ে আমরা ঘটনা স্থলে যাই এবং উত্তেজিত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রনে আনি।উত্তেজিত ছাত্রলীগ নেতারা মিলের সামনে থাকা পিকআপ ভ্যান ও এটিএম বুথ ভাংচুর করেছে।তবে এব্যাপারে কেউ কোন অভিযোগ করেনি।অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


নিউজ টি শেয়ার করুন..

সর্বশেষ খবর

আরো খবর