আজ শুক্রবার। ১৯শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ। ৬ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ। ৯ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি। এখন সময় রাত ১২:০৬

জেনে নিন রমজানের ফজিলত

জেনে নিন রমজানের ফজিলত
নিউজ টি শেয়ার করুন..

১ম রমজানে = রোজাদারকে নবজাতকের মত নিষ্পাপ করে দেওয়া হয়।
২য় রমজানে = রোজাদারের মা -বাবাকে মাফ করে দেওয়া হয়।
৩য় রমজানে = একজন ফেরেশতা আবারও রোজাদারের ক্ষমার ঘোষনা দেয়।
৪র্থ রমজানে = রোজাদারকে আসমানী বড় বড় চার কিতাবের বর্ণ সমান সাওয়াব প্রদান করা হয়।
৫ম রমজানে= মক্কা নগরীর মসজিদে হারামে নামাজ আদায়ের সাওয়াব দেওয়া হয়।
৬ষ্ঠ রমজানে= ফেরেশতাদের সাথে ৭ম আকাশে অবস্থিত বাইতুল মামূর তাওয়াফের সাওয়াব প্রদান করা হয়।
৭ম রমজানে= ফিরাউনের বিরুদ্ধে মুসা আঃ এর পক্ষে সহযোগিতা করার সমান সাওয়াব প্রদান করা হয়।

৮ম রমজানে =রোজাদারের উপর হযরত ইবরাহীম আঃ এর মতো রহমত- বর্ষিত হয়।

৯ম রমজানে= নবী-রাসূলদের সাথে দাড়িয়ে ইবাদতের সমান সওয়াব দেওয়া হয়।
১০ম রমজানে= রোজাদারকে উভয় জাহানের কল্যাণ দান করা হয়।
১১তম রমজানে=রোজাদারের মৃত্যু নবজাতকের ন্যায় নিষ্পাপ নিশ্চিত হয়।
১২তম রমজানে= হাশরের ময়দানে রোজাদারের চেহারা পূর্ণিমা চাদের মতো উজ্জল করা হবে।

১৩তম রমজানে=হাশরের ময়দানের সকল বিপদ থেকে নিরাপদ করা হবে।

১৪তম রমজানে= হাশরের ময়দানে হিসাব- নিকাশ সহজ করা হবে।

১৫তম রমজানে = সমস্ত ফিরিস্তারা রোজাদারের জন্য দোয়া করে।
১৬তম রমজানে= আল্লাহপাক রোজাদারকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি এবং জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করেন ।
১৭তম রমজানে= একদিনের জন্য নবীগনের সমান সাওয়াব দেওয়া হবে।

১৮তম রমজানে = রোজাদার এবং তার মা-বাবার প্রতি আল্লাহর সন্তুষ্টির সংবাদ দেওয়া হয়।

১৯তম রমজানে= পৃথিবীর সকল পাথর-কংকর টিলা- টংকর রোজাদারের জন্য দোয়া করতে থাকে।
২০তম রমজানে =আল্লাহরপথে জীবন দানকারী শহীদের সমান সাওয়াব প্রদান করা হয়।
২১তম রমজানে = রোজাদারের জন্য জান্নাতে একটি উজ্জল প্রাসাদ নির্মান করা হয়।
২২তম রমজানে= হাশরের ময়দানের সকল চিন্তা থেকে মুক্ত করা হয়।
২৩তম রমজানে= জান্নাতে রোজাদারের জন্য একটি শহর নির্মান করা হয়।
২৪তম রমজানে = রোজাদারের যে কোন 24টি দোয়া কবুল করা হয়।
২৫তম রমজানে= কবরের শাস্তি চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
২৬তম রমজানে =40 বছর ইবাদতের সমান সওয়াব প্রদান করা হয়।
২৭তম রমজানে= চোখের পলকে পুলসিরাত পার করে দেওয়া হয়।
২৮তম রমজানে= জান্নাতের নেয়ামত দ্বিগুন করা হয়।
২৯তম রমজানে= এক হাজার কবুল হজ্জের সাওয়াব প্রদান করা হয়।
৩০তম রমজানে= পুরা রমজানের ফজিলত দ্বিগুন|


নিউজ টি শেয়ার করুন..

সর্বশেষ খবর

আরো খবর