আজ রবিবার। ৩রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ। ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ। ২১শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি। এখন সময় দুপুর ২:২৫

হবিগঞ্জের জেলা পরিষদের সিএ’এর বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

হবিগঞ্জের জেলা পরিষদের সিএ’এর বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ
নিউজ টি শেয়ার করুন..

আজিজুল ইসলাম সজীব,হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জে জেলা পরিষদের সিএ’র বিরুদ্ধে ২ লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগ করেছেন জেলা পরিষদের কর্মচারী মৃত দুলাল মিয়ার স্ত্রী রুজিনা আক্তার।
স্বামীর মৃত্যুর পর তার পেনশনের টাকা উত্তোলন করতে গেলে তিনি এ ঘুষ নেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কুদ্দুছ আলী সরকারকে।

জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কুদ্দুছ আলী সরকার আরো জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টির তদন্তাধীন রয়েছে । তদন্তে শেষে যে কেউ দোষী হোক তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাছাড়া অভিযোগে কয়েক জনকে দোষী বলে উল্লেখ রয়েছে। তারা বিভিন্ন সময় একেক জন অন্য জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়।

অভিযোগে রুজিনা আক্তার উল্লেখ করেন, তার স্বামী দুলাল মিয়া মাধবপুর উপজেলা রেস্টহাউজে কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। চাকরিরত অবস্থায়ই তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর পর পেনশনের টাকা উত্তোলন করতে গেলে অফিসের পিয়ন শুভ তাকে দ্রুত টাকা পেতে সিএ রিমন সরকারের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন।

প্রথমে রিমন ৩ লাখ টাকা দাবি করলেও পরবর্তীতে শুভকে নিয়ে আলোচনা করে ২ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রিমন সরকার কয়েকটি চেকের পাতায় তার স্বাক্ষর রাখেন। পেনশনের টাকা পাওয়ার পর ২ লাখ টাকা দিয়ে চেকের পাতা ফেরত নেন রুজিনা।

অভিযোগকারী রুজিনা আক্তার জানান, সিএ রিমন সরকার তার কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নিয়েছেন। একই অফিসের পিয়ন শুভকে নিয়ে তিনি এসব টাকা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এ টাকা কারা কারা ভাগ করে নিয়েছেন তা আমি জানি না।

তিনি বলেন, প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ভাই বলে কিছু নেই। এখানে আত্মীয়তা কোনো বিষয় নয়। তবে এর সাথে এমএলএসএস শুভর কোনো যোগসাজস থাকতে পারে।

এমএলএসএস শুভ জানান, বিষয়টি তার জানা আছে। কিন্তু কোনো কিছুতেই তিনি জড়িত নন। তিনি বলেন, আমার মতো একজন পিয়নের পক্ষে তো কিছু করা সম্ভব নয়। এখন তার ভাইকে বাঁচানোর জন্য আমাকে নিরীহ পেয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

এ ব্যাপারে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. মুশফিক হোসেন চৌধুরী বলেন, ঘটনা কিছু একটা তো আছে। না থাকলে তো কেউ এমনি এমনি এ ভাবে অভিযোগ দিত না।
তিনি আরো বলেন তদন্ত চলছে তদন্তের প্রতিবেদনে যেই দোষী হোক তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।


নিউজ টি শেয়ার করুন..

সর্বশেষ খবর

আরো খবর