আজ শনিবার। ১৮ই মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ। ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ। ৯ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি। এখন সময় বিকাল ৫:০৯

মুক্তিযোদ্ধার সম্পত্তি আত্মসাতের অপচেষ্টায় লিপ্ত প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা

মুক্তিযোদ্ধার সম্পত্তি আত্মসাতের অপচেষ্টায় লিপ্ত প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা
নিউজ টি শেয়ার করুন..

আনোয়ার হোসেন :

লক্ষীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন চরশাহী ইউপির চরশাহী গ্রামের মৃত হাবিব উল্লাহর পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ও তার পরিবারকে বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে প্রভাবশালী ভূমি দস্যুরা। ১২নং চরশাহী ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম (গেজেট নং-১৮২) ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করে দেশ মাতাকে মুক্ত করতে পারলেও বাস্তব জীবনে সম্পত্তি লুন্ঠনকারী পরধন লোভীদের ঘৃণ্য আগ্রাসান থেকে নিজ সম্পত্তি মুক্ত করতে পারছেন না।

আত্মীয়তা সম্পর্কের কাজী আছমত উল্লাহ দীর্ঘদিন যাবৎ বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালামের সম্পত্তি আত্মসাতের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তিনি আরো জানান, ইতিপূর্বে একটি ভূয়া জাল জালিয়াতিপূর্ণ সালিশনামা তৈরী করে জাল স্বাক্ষর প্রদান করে আদালতের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করে। কিন্তু আদালত স্বাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বুঝতে পারেন যে, তর্কিত সালিশনামাটি জাল বিধায় তা খারিজ করে দেন। পরবর্তীতে কাজী আছমত উল্লাহ ভিন্ন পন্থায় সম্পত্তি আত্মসাতের হীনচেষ্টায় লিপ্ত হয়ে লক্ষীপুর যুগ্ম জেলা জজ আদালতে একটি বন্টননামা মামলা দায়ের করেন।

উক্ত মামলায় আদালতকে ভুল বুঝিয়ে কোন আইনজীবিকে কমিশন নিয়োগ না করে কে এম শামছুল আলম নামে এক সার্ভেয়ারকে কমিশন নিয়োগ করে রতা সাথে যোগসাজসে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালামের বসতবাড়ি, কাছারী ঘর, পানির কল, টয়লেট, গোয়াল ঘর, রান্নাঘর, পুকুর ঘাট ও চলাচলের রাস্তাকে নাল জমি দেখিয়ে উক্ত সম্পত্তি তার দখলে আন্তর্ভূক্ত করেন। তার এরূপ জঘন্য কার্যক্রমের জন্য এলাকার মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। অনতি বিলম্বে প্রশাসনিকভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালামের পরিবার পরিজন সর্বশান্ত হয়ে পথে পথে ঘুরে বেড়ানো ছাড়া আর অন্য কোন উপায় থাকবে না।


নিউজ টি শেয়ার করুন..

সর্বশেষ খবর

আরো খবর