আজ বৃহস্পতিবার। ১৮ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ। ৫ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ। ৮ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি। এখন সময় রাত ১১:২২

বাগামারার মাদারীগঞ্জ দোকান দখলের প্রতিবাদে নগরীতে সংবাদ সম্মেলন

A press conference in Baghara protesting the seizure of Madariganj shop
নিউজ টি শেয়ার করুন..

বাগমারার মাদারীগঞ্জ হাটের দোকানের জায়গা দখল ও দোকান ভাঙ্গচুরের প্রতিবাদের আজ শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে নগরীর একটি কফিবারে সংবাদ সম্মেলন করেন ভূক্তভূগীরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দোকান মালিক হায়দার আলী।

তিনি অভিযোগ করেন বলেন, বাগমারা ১১নং গনিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসনিপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে সামসুল ইসলাম ভুয়া দলিল দেখিয়ে জোরপূর্বক তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সমস্ত জমি দখল করার পাঁয়তারা করছে।

ইতোমধ্যে দুইটি দোকান তিনি দখল করে নিয়েছেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, বাগমারার হাসনিপুর মৌজার, আর.এস খতিয়ান নং-৩৪৯, জে.এল নং-১১৬, দাগ নং ২৭৩৭ ও ২৭৩৮, মোট জমির পরিমান ৯৮ শতক, এই জমির উপরে তারা দোকান করে ব্যবসা করছেন।  

এই জমির প্রকৃত মুল মালিক সাবের আলী। তিনি সমস্ত জমি বিভিন্ন সময়ে দোকানদের নিকট বিক্রি করেন। দোকানদারগণ সবাই জমি ক্রয়ের পরে খারিজ করে নিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য করছেন এবং সরকারকে নিয়মিত খাজনা ও ব্যবসায়িক ট্যাক্স প্রদান করছেন । আরো উল্লেখ করেন আবুল কাশেম মন্ডল মন্টু নামে একব্যক্তি ১৯৭৪ সালে অত্র সম্পত্তি দখলে নেওয়ার জন্য নিজের নামে সাবের আলীর সহি জাল করে ভূয়া হেবা হেবানামা দলিল করেন।

কিন্তু কাশেম মন্ডল জিবিত থাকাকালিন সময়ে এই সম্পত্তি দখল বা খারিজ করেননি। কাশেম ইন্তেকালের পরে তার স্ত্রী কহিনুর বেওয়া, ছেলে মাসুম কবীর ও কন্যা কানিজ ফাতেমা জাল খারিজ করেন। কিন্তু এই খারিজ মুলে এই সম্পত্তি দখল করতে পারেন না। মাসুম গং দখল করতে না পেরে আওয়ামী লীগের এই সাধারণ সম্পাদক সামসুলকে একটি দলিল করে দেন। সামসুলও কোন ভাবেই এই জমি খারিজ করতে না পেরে এখন ক্ষমতার দাপলে জোরপূর্বক এই সম্পত্তি দখলের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে বলে জানান। এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যকে বলে কোন সুরাহা হয়নি বলে দাবী করেন ভূক্তভূগীরা। 

তারা আরো বলেন, মাসুদ কবীর এই জমি দখলে নেওয়ার জন্য বার বার মামলা করেও হেরে যান। পাঁচবার বর্তমান মালিকগণ ডিগ্রি লাভ করেছেন বলে জানান তারা। তারা আরো উল্লেখ করেন, সামসুল ইসলাম শুধু তাদের জমি নয় আরো অনেকের জমি ও পুকুর জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছেন। সামসুলের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় মামলা করতে গেলেও অজ্ঞাত কারণে থানা মামলা নিচ্ছেনা। এই অবস্থায় ভুক্তভূগীরা জমি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রক্ষার্থে স্থানীয় প্রশাসন, আইন শৃংখলা বাহিনী ও সর্বপরি প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দোকান ও জমির মালিক দূর্গাপুরের পুরান তাহিরপুর গ্রামের হায়দার আলী, বাগমারার দক্ষিণ জামালপুর গ্রামের তোজাম্মেল হক, মোহনপুরের কোটালি পাড়ার আবুল কালাম আজাদ। এছাড়াও বাগামারার হাসনাবাদ গ্রামের আবুল কালাম আজাদ, রঘুপাড়া গ্রামের জামাল উদ্দিন, মোহনপুরের কোটালি পাড়ার শরিফুল ইসলাম ও দূর্গাপুরের পুরান তাহির গ্রামের আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

এম আর/টাইমস

নিউজ টি শেয়ার করুন..

সর্বশেষ খবর

আরো খবর