আজ শনিবার। ২০শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ। ৭ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ। ১০ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি। এখন সময় রাত ১১:৪২

ছাত্রলীগের ২৯৯ নেতার খোঁজ নিতে গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ছাত্রলীগের ২৯৯ নেতার খোঁজ নিতে গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
নিউজ টি শেয়ার করুন..

শফিক আহমেদ ভুইয়া :

ছাত্রলীগের পূর্নাঙ্গ কমিটি হওয়ার পরেই শুরু হয় আলোচনা সমালোচনা। ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মী মনে করছেন, কিছু ত্যাগী নেতাকর্মী পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ পায় নি।তাছাড়া কমিটিতে জায়গা দেওয়া হয়েছে অসংখ্য বিতর্কিতদের। যাদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রের সাথে সাংঘর্ষিক সম্পর্ক রয়েছে। তারপর ঘটল নানা ঘটনা।পদবঞ্চিতদের সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগের একাংশের হামলা। টিএসসিতে আবারও হামলা।পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ে দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সাথে বৈটক করে সমস্যার সমাধান করা।মধুর ক্যান্টিনের ঘটনায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে ৫ জন কে বহিষ্কারও করা হয়।সেই সাথে বি.এম লিপি আক্তার সহ ২ জন কে শোকজ করা হয়।তবে পদবঞ্চিতরা তা প্রত্যাখান করে।

তবে জানা গেছে ,ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান পাওয়া ২৯৯ নেতার বিষয়ে সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। সংস্থাটি তথ্য সংগ্রহ করছে।আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এই তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

২৯৯ নেতার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে পদ পাওয়া নেতা-নেত্রীর সম্পর্কে কেমন তার জন্মস্থানে। যারা তথ্য গোপন করে পদ-পদবি বাগিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান সরকারের এই গোয়েন্দা সংস্থাটি । আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কমিটিতে পদ পাওয়া প্রত্যেক নেতা-নেত্রীর ব্যাপারে খোঁজ নিতে একটি গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ দেন। পাশাপাশি দলীয়ভাবেও পুনরায় তথ্য সংগ্রহ করতে বলেন। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মিলবে তাদের বহিষ্কারসহ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

ছাত্রলীগের দফতর সম্পাদক আহসান হাবীব বলেন, কমিটিতে পদ পাওয়া সব নেতা-নেত্রীর কাছে নতুন করে সিভি চাওয়া হয়েছে। ঠিকানা অনুযায়ী একটি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা খোঁজ নিচ্ছেন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান বলেন, সঠিক তথ্য যাচাই করতে নতুন করে সিভি নেওয়া হচ্ছে। গ্রামে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হলে কমিটিতে ‘অনুপ্রবেশ’ নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছিল, তার সত্যতা মিললে ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের ঘোষণা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। ফলে অন্য দল থেকে কেউ ছাত্রলীগের কমিটিতে থাকতে পারবে না। দলীয় সভানেত্রীর নির্দেশেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে নতুন করে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।


নিউজ টি শেয়ার করুন..

সর্বশেষ খবর

আরো খবর